মুন্দো দেপোর্তিভোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাস্তান্তুয়োনোকে আরও বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ দিতে তাঁকে কেবল ধারে ছাড়ার কথা ভাবছে রিয়াল মাদ্রিদ। তাঁর পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা দলগুলোর মধ্যে ভিয়ারিয়াল ও রিয়াল সোসিয়েদাদ রয়েছে। বিদেশি লিগে যাওয়ার সম্ভাবনাও পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়নি।

হতাশাজনক প্রথম মৌসুমের পর নিজের বিকাশ ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে মাস্তান্তুয়োনো ধারে রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার জন্য প্রস্তুত বলেই মনে হচ্ছে।
গত মৌসুমে ইউরোপীয় ও দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলের গতির বিশাল পার্থক্য তিনি স্পষ্টভাবে অনুভব করেছেন, যা তাঁর পারফরম্যান্সেও বড় প্রভাব ফেলেছে। রিয়াল এখন তাঁকে ধারে পাঠিয়ে অভিজ্ঞতা দিতে চায়। খেলোয়াড়ও এই ব্যবস্থা মেনে নিয়েছেন, কারণ তিনিও জানেন ভবিষ্যতের জন্য এটিই সেরা সিদ্ধান্ত।
শেষ পর্যন্ত যেখানেই যান, রিয়াল কোনো ক্রয়-ধারা রাখতে রাজি নয়; ব্যবস্থা হবে শুধুই ধার। এর আগে এন্দ্রিকের ক্ষেত্রেও একই অবস্থান নেওয়া হয়েছিল।
তাই রিয়ালের বর্তমান পরিকল্পনা হলো ১৮ বছর বয়সী মাস্তান্তুয়োনোকে আরও বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ দেওয়া এবং ইউরোপীয় ফুটবলের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করা। অল্প বয়সে রিয়ালের হয়ে প্রথম মৌসুম খেলতে গিয়ে ইউরোপীয় ফুটবলের গতি ও চাহিদা তাঁর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
ওলে পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দলবদলের বাজারে মাস্তান্তুয়োনোর প্রতি এখনো আগ্রহ রয়েছে। এমনকি তাঁর লা লিগাতেই থেকে যাওয়ার সম্ভাবনাও আছে।
বর্তমানে ভিয়ারিয়াল ও রিয়াল সোসিয়েদাদ তাঁর পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে। আগামী মৌসুমে দুই দলই ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় খেলবে—ভিয়ারিয়াল চ্যাম্পিয়নস লিগে এবং রিয়াল সোসিয়েদাদ ইউরোপা লিগে। বিষয়টি মাস্তান্তুয়োনোকে আকৃষ্ট করতে পারে, কারণ শুধু লা লিগা ও কোপা দেল রেতে খেলা দলের তুলনায় ইউরোপীয় প্রতিযোগিতা তাঁকে আরও উচ্চমানের ম্যাচ এবং নিজেকে প্রমাণের বেশি সুযোগ দেবে।
বিদেশি লিগে গিয়ে অভিজ্ঞতা নেওয়ার সম্ভাবনাও পুরোপুরি বাতিল হয়নি, যদিও আপাতত এই বিকল্পের বাস্তবায়নযোগ্যতা তুলনামূলক কম মনে হচ্ছে। তাঁর বিদায়ের পরিকল্পনায় অনুমোদন দিয়েছেন জোসে মরিনিয়ো। অনুশীলনে তাঁকে দেখার পর মরিনিয়োও চান, তরুণ খেলোয়াড়টি ধারে গিয়ে উন্নতি করুন।
